Uncategorized

শীতে শুষ্ক ত্বকের যত্ন নেওয়ার সহজ উপায়

শীতে ত্বক নিয়ে সমস্যায় ভোগেন কমবেশি সকলেই। তার প্রধান কারণ বাতাসে জলীয় বাষ্পের অভাব। সেই কারণেই বাতাস ত্বক থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নিতে থাকে।প্রকৃতিকে নিয়ন্ত্রণ করা যেহেতু আমাদের হাতের বাইরে, তাই ত্বকের যত্ন আমাদের নিতে হবে। নিতে হবে এমন কতগুলো পদক্ষেপ, যা ভালো রাখবে ত্বককে। তেমনই কতগুলো পথ:

বাড়িতে থাকে যদি এই জিনিসগুলি তাহলে আপনার মারাত্মক ক্ষতি হবেই হবে! প্রতি বুধবার ওম শ্রী গণেশায় নমহ মন্ত্রটি জপ করলে কী কী উপকার মিলতে পারে জানা আছে? হঠাৎ করে অ্যাক্সিডেন্টের খপ্পরে পরতে যদি না চান তাহলে এই মন্ত্রগুলির কোনওটি নিয়মিত পাঠ করতে হবে! ১। খাদ্যাভাসে বদল শীতে ত্বকের যত্ন নিতে অনেকেই বেশি পরিমাণে ময়শ্চারাইজার বা ক্রিম মাখতে শুরু করেন। কিন্তু ত্বকের যত্নের জন্য প্রথম পরিবর্তনটা আসা উচিত খাবারে। সেদিকে বিশেষ নজর দেন না। কিছু কিছু খাবার শরীরে জলের পরিমাণ বাড়ায়, কিছু কিছু কমায়। স্বাভাবিকভাবেই যে খাবারগুলো শরীরকে ডিহাইড্রেট করে, সেগুলোর পরিমাণ শীতে কমিয়ে দিন। তার মধ্যে প্রথমেই আসবে কফি এবং অ্যালকোহল। ফ্যাট বা প্রোটিন জাতীয় খাবারও হজম হওয়ার সময় বিপুল পরিমাণে জলের প্রয়োজনে। তাই এগুলোতেও শরীরে জলের পরিমাণ কমে। অন্যদিকে, অ্যালকোহল-সমৃদ্ধ পানীয় হলেও রেড ওয়াইন আবার ত্বকের জন্য ভালো। তাই এই সময় রেড ওয়াইন পান করতে পারেন।

২। সাবান বাছুন গরমের সময় যে সাবান বা ক্লিনজার ব্যবহার করেন, শীতে সেটা ব্যবহার করা যাবে না কোনওভাবেই। বিশেষত ফ্র্যাগনেন্স বা সুগন্ধযুক্ত সাবান। কারণ এই ধরনের সাবান বা শাওয়ার জেল বা ক্লিনজার ত্বককে ডিহাইড্রেট করে। তাই সাবান বা ক্লিনজার কেনার সময় তাতে ‘ফ্র্যাগনেন্স-ফ্রি’ লেখা আছে কি না, দেখে নিন। যদিও ফ্র্যাগনেন্স-ফ্রি ক্লিনজারেও কিছুটা সুগন্ধি থাকে। কিন্তু এগুলো ত্বকের জন্য ততটাও ক্ষতিকারক নয়।

৩। সানস্ক্রিনও থাকুক মনে রাখবেন, শুধু গরমের জন্যই সানস্ক্রিন নয়। কারণ শীতেও রোদের তাপ ত্বককে শুষ্ক করে দিতে পারে। তাই শীতের রোগ উপভোগ করুন সানস্ক্রিন লাগিয়েই। তাতে ত্বক শুষ্ক হওয়ার আশঙ্কা কমবে। এছাড়া সূর্যরশ্মির মধ্যে থাকা ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি বা আলট্রাভায়োলেট রে থেকেও আপনার ত্বক রক্ষা পাবে এই সানস্ক্রিনের সাহায্যে। তাতেও থ্বক ভালো থাকবে।

৪। মেকআপ বক্সে নজর শীতে সব সময়ই আপনার মেকআপ বক্সে থাকুক লিপ বাম বা ত্বক হাইড্রেট করার মতো ফাউন্ডেশন। ক্রিম আছে এমন ব্লাশ ব্যবহার করুন। নাহলে ব্লাশ আপনার ত্বকের জল শুষে নেবে। ত্বকের মাস্কের ক্ষেত্রেও বাজারচলতি মাস্কের বদলে বাড়িতে বানানো মাস্ক ব্যবহার করুন। মধু, অ্যাভোকাডো, দই, অলিভ অয়েল, জোজোবা অয়েল, আমন্ড অয়েল, কলা, অ্যালোভেরা দিয়ে খুব সুন্দর ক্রিম বা পেস্ট বানানো যায়, যা থেকে তৈরি হতে পারে ভালো মাস্ক। যা ত্বক ভালো রাখবে।

৫। সোয়েটার বাঁচিয়ে উল বা পশমের পোশাক ত্বককে রুক্ষ করে দেয়। তাই ত্বকের সঙ্গে উলের পোশাকের সরাসরি স্পর্শ না হওয়াই ভালো। বরং খুব পাতলা একটা পোশাক পরে, তার ওপর উলের পোশাক পরুন। তাতে ত্বকের ক্ষতি কম হবে।

৬। রাতে ময়শ্চারাইজার সারাদিন ময়শ্চারাইজার যদি নাও ব্যবহার করেন, ক্ষতি নেই। কিন্তু রাতে শোওয়ার আগে, হাত-পায়ের চেটোয়, কনুই বা হাঁটুর মতো জায়গায়, এবং মুখে ময়শ্চারাইজার লাগান। সেক্ষেত্রে সারা রাত ময়শ্চারাইজার ত্বকের বিতরে প্রবেশ করার সুযোগ পাবে। এবং ত্বক ভালো থাকবে।